চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৬১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট নিশ্চিত করেছে ভারত। ১৭৬ রানের লক্ষ্যে ১৮ ওভারেই ১১৪ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এ নিয়ে ৯ বার মুখোমুখি হয়েছে দু্ই দল। এর মধ্যে ভারত জয় ভারত জয়ী হয়েছে ৮ ম্যাচে, পাকিস্তান জয় পেয়েছে মাত্র একটি ম্যাচে।
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামেটসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ভারতের। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির শীর্ষ ব্যাটার অভিষেক শর্মা শূন্য রানেই সাজঘরে ফেরেন। তবে সেই চাপ একাই সামাল দেন ঈশান কিষান। তিলক ভার্মাকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে গড়েন ৪৫ বলে ৮৭ রানের বিধ্বংসী জুটি। ৪০ বলে ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ভারতের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ঈশান। ৩২ রান করেন সূর্যকুমার যাদব। ২৫ রান করেন তিলক বার্মা।
১৭৬ রানের লক্ষ্যে শুরুতেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। হার্দিক পান্ডিয়া, জসপ্রিত বুমরাহ কিংবা অক্ষর প্যাটেলদের তোপের মুখে কোনোভাবেই দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তানি ব্যাটাররা। সাহিবজাদা ফারহান শূন্য রানে, সাইম আইয়ুব ৬ রানে, সালমান আলি আগা ৪ রানে, বাবর আজম ৫ রানে আউট হয়ে যান। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় ৩৪ রানেই বিদায় নেয় চারজন ব্যাটার।
দলের বিপর্যয়ে একাই লড়াই চালিয়ে যান উইকেটরক্ষক ব্যাটার উসমান খান। প্রথমে বাবর আজম (৫) ও পরে শাদাব খানের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। উসমান ৩৪ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন। কিন্তু বাবর ও শাদাব (১৪) অক্ষর প্যাটেলের শিকারে পরিণত হলে পাকিস্তানের আশা শেষ হয়ে যায়।
উসমানের বিদায়ের পর পাকিস্তানের লোয়ার অর্ডার আর দাঁড়াতে পারেনি। শেষদিকে বরুণ চক্রবর্তী ও হার্দিক পান্ডিয়া ছেঁটে দেন লেজ। ১৮ ওভারে ১১৪ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান।
ভারতীয় বোলারদের মধ্যে হার্দিক পান্ডিয়া, জসপ্রিত বুমরাহ, অক্ষর প্যাটেল, বরুন চক্রবর্তি নেন ২টি করে উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন কুলদীপ যাদব ও তিলক বার্মা।
এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ‘এ’ গ্রুপ থেকে সুপার এইট নিশ্চিত করল ভারত।