বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে দুই বাক্যের সংক্ষিপ্ত একটি স্ট্যাটাসটি দিয়েছেন। আজ রোববার ভোর ৬টা ৮ মিনিটে দেওয়া স্ট্যাটাসটি ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে।
এতে ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফের বাংলাদেশ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’
প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত এই পোস্টে ২ লাখ ১৬ হাজার রিয়েকশন পড়েছে। শেয়ার হয়েছে তিন হাজার একশ। একই সময় ২৫ হাজার ৯শ ফেসবুক ব্যবহারকারী পোস্টটিতে মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জনপ্রিয় স্লোগান ছিল ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’। তবে গতকাল শনিবার হঠাৎ করেই এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক নেতা, ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তির পোস্টে শব্দবন্ধটি ঘুরে ফিরে আসছে। এর পেছনে রয়েছে ভাষা ও পরিচয়বিষয়ক বিতর্ক।
এর আগে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এটিকে নতুন করে আলোচনায় আনেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, 'নিজের ভাষা ও নিজের সম্পদকে ভালোবাসুন। নিজের যা আছে, সেটাকে ভালোবাসুন। বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলাকে যদি আমার মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। ইনকিলাব আমাদের ভাষা না।'
এর পরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ লিখে পোস্ট দিতে শুরু করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জনপ্রিয় স্লোগান ছিল ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’। তবে গতকাল শনিবার হঠাৎ করেই এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক নেতা, ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তির পোস্টে শব্দবন্ধটি ঘুরে ফিরে আসছে। এর পেছনে রয়েছে ভাষা ও পরিচয়বিষয়ক বিতর্ক।
এর আগে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এটিকে নতুন করে আলোচনায় আনেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, 'নিজের ভাষা ও নিজের সম্পদকে ভালোবাসুন। নিজের যা আছে, সেটাকে ভালোবাসুন। বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলাকে যদি আমার মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। ইনকিলাব আমাদের ভাষা না।'
এর পরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ লিখে পোস্ট দিতে শুরু করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জনপ্রিয় স্লোগান ছিল ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’। তবে গতকাল শনিবার হঠাৎ করেই এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক নেতা, ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তির পোস্টে শব্দবন্ধটি ঘুরে ফিরে আসছে। এর পেছনে রয়েছে ভাষা ও পরিচয়বিষয়ক বিতর্ক।
এর আগে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এটিকে নতুন করে আলোচনায় আনেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, 'নিজের ভাষা ও নিজের সম্পদকে ভালোবাসুন। নিজের যা আছে, সেটাকে ভালোবাসুন। বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলাকে যদি আমার মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। ইনকিলাব আমাদের ভাষা না।'
এর পরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ লিখে পোস্ট দিতে শুরু করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।