লাল-সবুজের জার্সিতে হামজা ও সমিতদের পথ ধরে আরেক প্রবাসী ফুটবলারের বাংলাদেশ ফুটবলে যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। লিথুয়ানিয়ায় জন্ম নেওয়া ও ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা ক্যাসপার হক এবার খেলবেন লাতিন বাংলা সুপার কাপে ‘রেড অ্যান্ড গ্রিন ফিউচার স্টারস’-এর হয়ে। রামোস ভক্ত এই ডিফেন্ডার ভবিষ্যতে বন্ধু জায়ান রহমান ও আইকন হামজা চৌধুরীর সঙ্গে জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখেন।
ছয় মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো পিতৃভূমি বাংলাদেশে এসেছেন ক্যাসপার। গত জুনে বাফুফের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ট্রায়ালে অংশ নিতে ঢাকায় এলেও পাসপোর্ট না থাকায় খেলতে পারেননি। গত মাসে সেই জটিলতা কাটার পর এবার মাঠে নামার সব প্রস্তুতি তার সম্পন্ন। রেড অ্যান্ড গ্রিন ফিউচার স্টারসের ডিফেন্ডার ক্যাসপার হক বলেন, জুনে ট্রায়ালে অংশ নিয়েছিলাম, কিন্তু পাসপোর্ট না থাকায় খেলতে পারিনি। এখন সব প্রস্তুতি আছে। বাংলাদেশের হয়ে খেলার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। ইংল্যান্ডের অষ্টম স্তরের ক্লাব উডলি ইউনাইটেডের হয়ে খেলা এই সেন্টার-ব্যাকের আইডল সার্জিও রামোস। জাতীয় দলে সুযোগ পেলে হামজা চৌধুরী ও বন্ধু জায়ানের সঙ্গে জুটি বাঁধতে চান তিনি। ক্যাসপার বলেন, বাংলাদেশের হয়ে খেলতে বাবা আমাকে সব সময় উৎসাহ দেন। আর হামজাকে দেখে অনুপ্রেরণা আরও বেড়েছে।
আশা করি খুব শিগগিরই তার সঙ্গে একই দলে মাঠে নামতে পারব।
নিজেকে প্রমাণের বড় মঞ্চ হিসেবে লাতিন বাংলা সুপার কাপকে দেখছেন তিনি। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ক্লাবগুলোর বিপক্ষে রেড অ্যান্ড গ্রিন ফিউচার স্টারসের হয়ে খেলবেন এই দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার। দলে আরও আছেন তিনজন প্রবাসী তরুণ।
ক্যাসপার বলেন, জানি, নিজেকে প্রমাণের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। টুর্নামেন্টে খেলতে আমি প্রস্তুত এবং সর্বোচ্চটা দিতে চাই।
ক্যাসপার হকের বাবা এহসানুর হক বাংলাদেশের নাগরিক ও মা রাশিয়ান। সময় স্বল্পতার কারণে এবার সাভারে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হবে না তার।