সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্সের আবেদন আহ্বান, শেষ সময় ৩১ মার্চ
আয়কর বার্তা : জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরোয়ার্ডিং (সি অ্যান্ড এফ) এজেন্ট লাইসেন্স প্রদানের লক্ষ্যে আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেছে। আবেদনপত্র ‘ফরম-ক’ নির্ধারিত পদ্ধতি ও শর্ত মেনে আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬ বিকাল ৪টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস স্টেশনের লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের সভাপতির বরাবর দাখিল করতে হবে। আবেদন জমার সময় ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারের মূলকপি সংযুক্ত করতে হবে।
আজ রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রজ্ঞাপনে এনবিআর এ তথ্য জানায়।
এনবিআর জানায়, কাস্টমস আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৪৩ অনুসরণে নতুন কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরোয়ার্ডিং (সি অ্যান্ড এফ) এজেন্ট লাইসেন্সি বিধিমালা, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে। এর ফলে আগের কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২০ রহিত হয়েছে। স্বতন্ত্র এই বিধিমালার মাধ্যমে সি অ্যান্ড এফ এজেন্টদের কার্যক্রম আরও সহজ ও যুগোপযোগী করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আবেদনের প্রধান শর্তাবলী
স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। দেশি-বিদেশি যৌথ মালিকানার কোম্পানি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে, তবে বিদেশি অংশীদারদের শেয়ার সর্বোচ্চ ৪৯ শতাংশের মধ্যে সীমিত থাকতে হবে। এক ব্যক্তি একটির বেশি লাইসেন্স গ্রহণ করতে পারবেন না। আবেদনপত্রে যে কোনো একটি কাস্টমস স্টেশনের নাম উল্লেখ করতে হবে; একাধিক স্টেশনের নাম দিলে আবেদন বাতিল হবে।
আবেদনের সঙ্গে দাখিলযোগ্য দলিলাদি
জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ (PSR), স্নাতক ডিগ্রির সনদ, সদ্য তোলা তিন কপি রঙিন ছবি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোম্পানির মেমোরেন্ডাম ও আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন বা পার্টনারশিপ চুক্তিপত্র, ৫ হাজার টাকার অফেরতযোগ্য আবেদন ফি (ডিরেক্টর জেনারেল, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমি, চট্টগ্রাম-এর অনুকূলে), নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে ঘোষণাপত্র এবং অফিস কক্ষের মালিকানা বা ভাড়ার প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতার প্রত্যয়নপত্র থাকলে তা সংযুক্ত করা যাবে।
যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা এবং লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। প্রবেশপত্র আবেদনপত্রে উল্লেখিত ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠানো হবে।
নির্ধারিত শর্ত পূরণ না হলে বা সময়সীমা পেরিয়ে আবেদন পাঠানো হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচী পরিবর্তন করতে পারবে বলে প্রেস রিলিজে উল্লেখ করা হয়েছে।