প্রকাশিত : ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এখানেও চ্যাম্পিয়ন রংপুর

অনলাইন ডেক্স 

তৃতীয় দিনেই শিরোপার সুবাস পেয়েছিল রংপুর বিভাগ। খুলনাকে হারিয়ে আকবর আলী, নাসির হোসেন, শরীফুল ইসলামরা উদযাপনটা সেরে রেখেছিলেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে রংপুরকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করার সুযোগ ছিল না। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে শেষ রাউন্ড শুরু করা সিলেটের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়েছিল। রংপুরকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হতে চায়ের শহরের দলটির দরকার ছিল শেষ দিনে জয়।

তবে গতকাল সিলেট ও বরিশাল বিভাগের ম্যাচটি ড্র হলে রংপুরের অপেক্ষার অবসান হয়। তিন মৌসুম পর আবার জাতীয় ক্রিকেট লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে রংপুর। সব মিলিয়ে তৃতীয়বার। এর আগে ২০১৪-১৫ ও ২০২২-২৩ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। এবারে জাতীয় লিগ টি-টোয়েন্টিতেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রংপুর।

রাজশাহীতে গতকাল শেষ দিনে ৪ উইকেটে ২১২ রানে ইনিংস শুরু করেছিল বরিশাল। তারা এগিয়ে ছিল ২৩৭ রানে। এদিন ৮ উইকেটে ২৯৪ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বরিশাল। ১২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন ইফতি। জয়ের জন্য সিলেটের দরকার ছিল ৩২০ রান। তারা ৫৯ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৭ রান তোলার পর বিকাল সাড়ে চারটার দিকে দুই দল ড্র মেনে নেয়।

মুশফিক ৫৩ ও গালিব ৬১* রান করেন। সিলেটে ময়মনসিংহ বিভাগকে ১৪৬ রানে হারিয়েছে রাজশাহী। জয়ের জন্য তাদের দরকার ছিল ২০১ রান। হাতে ছিল ১ উইকেট। ৯ উইকেটে ২২৭ রানে ইনিংস শুরু করা ময়মনসিংহ ২৮১ রানে গুটিয়ে যায়।

ব্যক্তিগত ৯৭ রানে ব্যাটিংয়ে নামা আবু হায়দার শেষ পর্যন্ত ১৪১ রানে অপরাজিত ছিলেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তার দ্বিতীয় শতক। ১২৭ বলের ইনিংসে ১৩টি ছক্কা মেরেছেন এই বাঁহাতি পেসার। শেষ রাউন্ড শেষে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন রংপুর। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিলেটের পয়েন্ট ২৮। তিনে ময়মনসিংহ (২৪)।

এদিকে ২৭তম জাতীয় ক্রিকেট লিগে সর্বাধিক রান করেছেন খুলনার সৌম্য সরকার। ৭ ম্যাচে এক সেঞ্চুরি ও চার ফিফটিতে ৬৩৩ রান করেছেন তিনি। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে জাকির হাসান (৭ ম্যাচে ৬২৮)। এ ছাড়া তিনে থাকা মার্শাল আইয়ুব ৭ ম্যাচে ৬২৫ রান করেছেন। সর্বাধিক উইকেট শিকারের তালিকায় শীর্ষে আছেন বরিশালের তানভীর ইসলাম (৭ ম্যাচে ৩৪)। এরপর মুকিদুল ইসলাম (৪ ম্যাচে ২৯) ও রুয়েল মিয়া (৬ ম্যাচে ২৭)।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়