দলের অন্যরা যখন আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যস্ত, তখন একাই লড়ে গেলেন তাওহীদ হৃদয়। তবু তার এই লড়াই জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। বাংলাদেশ হেরেছে ৩৯ রানের বড় ব্যবধানে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়েও পড়েছে টাইগাররা।
আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে খেলতে নামে দুদল। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয় ম্যাচটি। যেখানে প্রথমে ব্যাট করা আইরিশরা হ্যারি টেক্টরের অপরাজিত অসাধারণ হাফসেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান করেছে। জবাবে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
১৮২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৬ ওভারের মধ্যে দলীয় ১৮ রানে টপঅর্ডারের ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন দাস ও সাইফ হাসান কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
মাঝে জাকের আলীর সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন হৃদয়। তবে জাকের ২০ রান করে মাঠ ছাড়েন। এরপর ম্যাথিউ হামফ্রেসের এক ওভারে বাংলাদেশ ৩ উইকেট হারালে হার প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের। কিন্তু শেষ অবধি ব্যাট করে হারের ব্যবধানে কমান হৃদয়। ডানহাতি এই ব্যাটার ৫০ বলে ৭টির চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
আইরিশ বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ ওভারে ১৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন হামফ্রেস।
টস জিতে এর আগে সফরকারীদের ফিল্ডিংয়ে পাঠান টাইগার অধিনায়ক লিটন দাস। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করে আয়ারল্যান্ড। ৪.২ ওভারে দুই ওপেনার পল স্টালিং ও টিম টেক্টর মিলে ৪০ রান তোলেন। তানজিম হাসান সাকিব এই জুটি ভাঙেন। তিনি অধিনায়ক স্টালিংকে ২১ রানে ফেরান। এরপর রিশাদ হোসেন আউট করে ৩২ রানে থাকা টিম টেক্টরকে।
এরপর দলের হাল ধরেন হ্যারি টেক্টর। তিনি শেষ পযন্ত ব্যাটিং করে দলের স্কোর সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে যান। তিনি ৪৫ বলে ১টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া লোরকান টাকার ১৮ ও কার্টিস ক্যাম্ফার ২৪ রান করেন।
বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে তানজিম ২টি ও শরীফুল এবং রিশাদ একটি করে উইকেট পান