প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ০১:৪৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিরোধে আসন হারানোর শঙ্কা বিএনপিতে

ময়মনসিংহের দক্ষিণ জনপদে ছয়টি সংসদীয় আসন। এ আসনগুলোতে ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৩৬৪ জন ভোটার রয়েছে। এবারের আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচনে আসনগুলো পুনরুদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বিএনপি। তবে প্রায় প্রতিটি আসনেই বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ থাকায় সে পথটা এতটা সহজ হবে না। আগে থেকেই মাঠ পর্যায়ে ভোটার টানতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে জামায়াত। অন্য দলগুলোও ধীরগতিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচনে অংশগ্রহণের। তাই প্রতিটি আসনেই আভাস মিলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের। প্রথম পর্বের ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় পর্বে থাকছে ময়মনসিংহের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদের দক্ষিণ প্রান্তের ৬টি আসন নিয়ে বিস্তারিত।

ময়মনসিংহ-৪

ময়মনসিংহ মহানগর এবং সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ-৪ আসনে ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৫০ হাজার ২৮৪ জন। ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনটি জেলার রাজনীতিতে খুবই গুরুত্ব বহন করে। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এই আসনে বিএনপির আলোচিত প্রার্থী। পাশাপাশি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের পক্ষে অন্য আরেকটি পক্ষ এখনও মিছিল শোডাউন করছে।

ময়মনসিংহ-৪ থেকে আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদের নাম প্রাথমিকভাবে তালিকায় থাকলেও পরে স্থগিত করেন দলের নীতিনির্ধারকরা। তারপরও আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ও ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের পক্ষে আসনটিতে মিছিল-সমাবেশ করছে সমর্থকরা।

এ ছাড়াও এ আসনে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এম এ হান্নান, অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মির্জা আল মাহমুদ ও নারী নেত্রী ফারজানা রহমান হুসনা আছেন মনোনয়ন প্রত্যাশায়। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনকে দিনাজপুর-৬ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ফলে বিভাগীয় নগরীর এই আসনে ধানের শীষের কাণ্ডারি কে হবেন এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এখন পর্যন্ত সদরের এই গুরুত্বপূর্ণ আসনটিতে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, মনোনয়ন তালিকায় নাম স্থগিত থাকলেও তৃণমূলে কাজ করার নির্দেশনা মেনে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে মাঠে কাজ করছি। দলের বাইরে আমি নই। দল যা সিদ্ধান্ত দেয় তাই মেনে নেব। আশা রাখি দল তৃণমূলের ভাবনাকে গুরুত্ব দেবে।

এ আসনে মহানগর জামায়াতের আমির কামরুল আহসান এমরুল। গ্রামে গঞ্জে হাটবাজারে প্রতিদিনই ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে প্রার্থী হয়েছেন মোশতাক আহমদ ফারুকী।

এনসিপি থেকে ডা. জাহেদুল করিম এ আসন থেকে প্রার্থিতা করতে পারেন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক আশিকিন রাজন তিনিও আছেন প্রার্থী তালিকায়। গণসংহতি পরিষদ থেকে মোস্তাফিজুর রহমান রাজিব পোস্টারিংসহ প্রচার শুরু করেছেন। খেলাফত মজলিস থেকে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে অধ্যাপক আব্দুল করিম প্রার্থী হয়েছেন।

এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলনসহ ধর্মভিত্তিক অন্যান্য দল পোস্টারিং শুরু করলেও মাঠে তাদের উপস্থিতি কম বলছেন ভোটাররা। আর বাম দলগুলোর পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো তৎপরতা এখনও শুরু হয়নি।

ময়মনসিংহ-৫

মুক্তাগাছা উপজেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ-৫ আসন। এতে বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেনের ছোট ভাই জাকির হোসেন বাবলু। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাঠ দখলে রাখায় দলীয় কোন্দল নেই। ২০০৮-এর নির্বাচনে জাকির হোসেন বাবলু নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৪০ হাজার ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের কে এম খালিদের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলুর ভাই সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন পরপর দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ময়মনসিংহসহ এ অঞ্চলের উন্নয়ন সাধিত হয়। তাই এ আসনটি অনেকটা পরিপাটি বিএনপির জন্য বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

মুক্তাগাছা আসনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ প্রার্থী হওয়ায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস রয়েছে। তবে এ আসনে সংখ্যালঘু ভোটারদের একটি বিশাল ভোটব্যাংক রয়েছে যা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্ট হিসেবে কাজ করতে পারে বলে ধারণা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের।

এ ছাড়া খেলাফত মজলিস দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে মাওলানা সিরাজুল ইসলাম এবং মাথাল প্রতীকে গণসংহতি আন্দোলনের নজরুল ইসলাম সরকার লড়াই করবেন। এ আসনে তিন লাখ ৬৪ হাজার ১৬০ জন ভোটার রয়েছে।

ময়মনসিংহ-৬

কৃষিনির্ভর ফুলবাড়ীয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটিতে তিন লাখ ৮৫ হাজার ৯৮৫ জন ভোটার রয়েছে। বিএনপির প্রার্থী দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আকতারুল আলম ফারুক। তবে স্থানীয়ভাবে বিএনপির কোন্দল রয়েছে। মনোনীত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে প্রতিপক্ষরা মশাল মিছিল করেছে। এখানে বিএনপির তিনটি গ্রুপের মাঝে বৈরিতায় দল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ১৯৯১-এর নির্বাচনে বিএনপি জিতলেও এ আসনে পরে আর কখনই জিততে পারেনি। তাই এবার তাদের সামনে সুবর্ণ সুযোগ আসন ফিরে পাওয়ার।

জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির কামরুল হাসান মিলন প্রার্থী হওয়ায় এ আসনটি সাংগঠনিকভাবে দুই দলের পক্ষ থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জামায়াতের প্রার্থী প্রতিদিনই মাঠ পর্যায়ে চষে বেড়াচ্ছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এখানে আগে থেকেই জামায়াতে ইসলামীর শক্ত অবস্থান রয়েছে।

এ ছাড়া খেলাফত মজলিস দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে রফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মুফতি আব্দুল কাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

ময়মনসিংহ-৭

আসনটি ত্রিশাল উপজেলায় তিন লাখ ৭৪ হাজার ৯৯৪ জন ভোটার নিয়ে গঠিত। এ আসনে ত্রিমুখী জমজমাট লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন। কেউ মুখ না খুললেও ভেতরে ভেতরে কোন্দল রয়েছে বলে জানিয়েছেন ত্রিশালের সাধারণ ভোটাররা। পদবঞ্চিত বিএনপির অনেক নেতকর্মী দলীয় প্রার্থী বাদ দিয়ে অন্য প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন দিচ্ছেন এমন গুঞ্জনও রয়েছে।

ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন ২০০৮ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের রেজা আলীর কাছে ৭৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন। ফুলবাড়ীয়ার মতো ত্রিশালেও ১৯৯১-এর নির্বাচনের পর বিএনপি কখনই জিততে পারেনি। সর্বশেষ বিএনপি থেকে আব্দুল খালেক জয়লাভ করেছিল ৯১-এর নির্বাচনে। এরপর আর এই আসন পুনরুদ্ধার করতে পারেনি বিএনপি।

২০১৪ সালের নির্বাচন থেকে জাতীয় পার্টির এম এ হান্নান বিজয়ী হয়েছিলেন। তাই এবারও বিএনপির জন্য আসন ফিরে পাওয়া কঠিন হতে পারে।

বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাতদিন মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপির সাবেক এমপি আব্দুল খালেকের পুত্র এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত। এ ক্ষেত্রে বালিপাড়া, কানিহারি, রামপুর এবং সাখুয়া ইউনিয়নে বিএনপির ভোটব্যাংকে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ সুযোগে জামায়াতের প্রার্থী নিজ দলে ভোটার টানতে মানুষের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন, হাটবাজারে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাইছেন। ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির আসাদুজ্জামান সোহেল। এলাকায় আগে থেকেই তার ভালো জনপ্রিয়তা রয়েছে। খেলাফত মজলিস দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন। বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের প্রার্থী হয়েছেন আব্দুল কুদ্দুস শিকদার।

ময়মনসিংহ-১০

দলীয় কোন্দল থাকায় বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনেও। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। ফলে ময়মনসিংহ সদরের মতো গফরগাঁও আসনে কে হচ্ছে ধানের শীষের কাণ্ডারি, এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে আলোচনা এখন তুঙ্গে। চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

এখন পর্যন্ত মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবি সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত ফজলুর রহমান সুলতানের ছেলে জেলা বিএনপি নেতা মুশফিকুর রহমান, ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানা ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান বাচ্চু ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক ছাত্রনেতা আলমগীর মাহমুদ আলম। এ আসনেও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনের নাম চাউর আছে। শেষ পর্যন্ত কে মনোনয়ন পাবেন তার ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতি।

গফরগাঁও আসনে জামায়াতের প্রার্থী উপজেলা জামায়াতের আমির ইসমাইল হোসেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হয়েছেন মাওলানা ইলিয়াস আহমেদ ফরাজি এবং গণসংহতি আন্দোলন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন এ কে এম শামসুল আলম।

এ আসনে জিয়াউর রহমানের শাসনামলের পর কখনই জিততে পারেনি বিএনপি। ৯১-এর আগ পর্যন্ত জাতীয় পার্টি এবং তারপর থেকে আওয়ামী লীগের দখলেই ছিল এ আসন। গফরগাঁও ও পাগলা থানা নিয়ে এ আসনটিতে তিন লাখ ৮২ হাজার ৯৪৬ জন ভোটার রয়েছে।

ময়মনসিংহ-১১

শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত ভালুকা উপজেলা নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ-১১ আসনে নারী-পুরুষ মিলিয়ে তিন লাখ ৩৫ হাজার ৯৯৫ ভোটার রয়েছে। একাধিক শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী ছিলেন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীর তালিকায়। শেষ পর্যন্ত বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ মুর্শেদ আলমের অনুসারীরা বাচ্চুর প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে মশাল মিছিল করে দলীয় কোন্দলের বিষয়টি প্রকাশ্যে নিয়ে আসে। মুর্শেদ আলম এখনও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজের পক্ষে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এই কোন্দল নিরসন না হলে বিএনপির ভরাডুবির আশঙ্কা আছে।

এর আগে ফখরুদ্দিন আহম্মেদ ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আমান উল্লাহর কাছে ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন। ফুলবাড়ীয়া এবং ত্রিশালের মতো ভালুকাতেও ৯১-এর পর এই আসনেও বিএনপির হয়ে কেউ জয়লাভ করেনি। পটপরিবর্তনের পর দলীয় সিদ্ধান্তে ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চুকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও তদন্তে কোনো কিছু না পাওয়ায় বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।

দলের স্বার্থে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিটি নির্দেশ পালনে ও নির্বাচনে বিএনপিকে জয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু। ভালুকা আসনে উপজেলা আমির সাইফ উল্লাহ পাঠানের নাম ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাফেজ মামুনুর রশিদ। গণসংহতি থেকে খালেদ হোসাইন প্রার্থী হয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়